Skip to main content

Featured

পরীক্ষাকালীন সময় এবং পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের পালনীয় বিষয় সমূহ

 পরীক্ষাকালীন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নাময যথাসময়ে আদায় করবেন এবং সকল গুণাহ থেকে বেঁচে থাকবেন। ফরয-ওয়াজিব গুলো মেনে চলার পাশাপাশি কিছু কিছু দান সদকা এবং নফল ইবাদত করার চেষ্টা করবেন। পরীক্ষাকালীন সময়ে গোসল,ঘুম এবং নাস্তা পরিমিত ও যথাসময়ে গ্রহণ  করবেন।  যেকোন দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলার সুবধার্থে পরীক্ষাকালিন সময়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা,গাড়িতে উঠা-নামা, বাথরুমে যাওয়া, সাইকেল চালানো এবং খেলাধুলা অত্যন্ত সতর্কতার সহিত করবেন। যেকোন Accident এড়িয়ে চলার সুবিধার্থে পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগ থেকে খেলাধুলা কমিয়ে দিবেন। কারণ খেলাধুলার সময় যেকোন দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে। পরীক্ষার আগের রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যগ করবেন, এত পরীক্ষার হলে অশ্বস্তি,অশান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ যে কোন  অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। প্রতি পরিক্ষার  আগের রাতে পড়া শুরু করার আগে অব্যশই পরবর্তী বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হবেন। পরীক্ষাকালে পড়ার সময় হাতে একটি কলম এবং রাফ কাগজ সমনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো মুখস্থ লিখবেন। পরীক্ষার  হলে অবশ্যই শতভাগগ কালো কালির কলম ব্যবহার করবেন, লাল কালির  কলম ব্যবহ...

 

🕌 কোরবানির ঈদের নামাজ (

ঈদুল আযহার সালাত)

🌙 সময়:

  • ১০ই জিলহজ (বাংলাদেশে সাধারণত চাঁদ দেখে নির্ধারণ হয়)

  • সূর্যোদয়ের ১৫–২০ মিনিট পর থেকে যুহরের পূর্ব পর্যন্ত


🙏 নামাজের পদ্ধতি সংক্ষেপে:

ঈদের নামাজ ২ রাকাত। তবে সাধারণ নামাজ থেকে কিছুটা ভিন্ন। এতে অতিরিক্ত ৬ তাকবীর (তাকবীরে যাইদা) রয়েছে।

🌟 প্রথম রাকাতে:

  1. নিয়ত করুন।

  2. তাকবীরে তাহরিমা (আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু)

  3. তারপর তিনবার হাত তুলে "আল্লাহু আকবার" বলবেন — এই তিনটি অতিরিক্ত তাকবীর

  4. তারপর সানা (সুবহানাকাল্লাহুম্মা...) পড়বেন

  5. এরপর ইমাম কেরাত পড়বেন এবং যথারীতি রুকু-সিজদা করে দ্বিতীয় রাকাতে যাবেন

🌟 দ্বিতীয় রাকাতে:

  1. ইমাম কেরাত পড়বেন

  2. কেরাতের পর তিনবার অতিরিক্ত "আল্লাহু আকবার" বলবেন (তাকবীরে যাইদা)

  3. তারপর চতুর্থবার “আল্লাহু আকবার” বলে রুকুতে চলে যাবেন


🧠 নিয়ত (নামের নামাজের):

👉 আরবি নিয়ত:

نَوَيْتُ أَنْ أُصَلِّيَ لِلّٰهِ تَعَالٰى رَكْعَتَيِ الْعِيدِ سُنَّةً مَعَ التَّكْبِيرَاتِ وَجْهَ اللهِ تَعَالٰى

👉 বাংলা উচ্চারণে:

নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকআতাইনি লিদ ঈদিস্ সুন্নাতান মা’আ তাকবীরাতি ওয়াজহাল্লাহি তাআলা।

👉 বাংলা অর্থ:

আমি আল্লাহ তা’আলার উদ্দেশ্যে ঈদের ২ রাকাত নামাজ তাকবীরসহ আদায় করার নিয়ত করলাম।


ℹ️ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:

  • ঈদের নামাজে আজান বা ইকামত নেই

  • নামাজের পর খুতবা দেওয়া হয়

  • খুতবা মনোযোগ দিয়ে শোনা সুন্নত।

    📝 উপসংহার:

    কোরবানির ঈদ মুসলমানদের জন্য এক আনন্দ ও ত্যাগের দিন। এদিন ঈদের নামাজ আদায় করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। ঈদের নামাজের নির্ধারিত নিয়ম ও নিয়ত জানা এবং তা সঠিকভাবে আদায় করা একজন মুসলমানের কর্তব্য। ঈদের নামাজের পর খুতবা শোনা এবং কোরবানির মাধ্যমে আত্মত্যাগের চেতনা অর্জন করা ইসলামী শিক্ষার বাস্তব প্রতিফলন। তাই যথাসময়ে নামাজ আদায় করে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানি করা আমাদের ঈমানী দায়িত্ব।

Comments

Popular Posts