Skip to main content

Featured

পরীক্ষাকালীন সময় এবং পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের পালনীয় বিষয় সমূহ

 পরীক্ষাকালীন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নাময যথাসময়ে আদায় করবেন এবং সকল গুণাহ থেকে বেঁচে থাকবেন। ফরয-ওয়াজিব গুলো মেনে চলার পাশাপাশি কিছু কিছু দান সদকা এবং নফল ইবাদত করার চেষ্টা করবেন। পরীক্ষাকালীন সময়ে গোসল,ঘুম এবং নাস্তা পরিমিত ও যথাসময়ে গ্রহণ  করবেন।  যেকোন দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলার সুবধার্থে পরীক্ষাকালিন সময়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা,গাড়িতে উঠা-নামা, বাথরুমে যাওয়া, সাইকেল চালানো এবং খেলাধুলা অত্যন্ত সতর্কতার সহিত করবেন। যেকোন Accident এড়িয়ে চলার সুবিধার্থে পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগ থেকে খেলাধুলা কমিয়ে দিবেন। কারণ খেলাধুলার সময় যেকোন দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে। পরীক্ষার আগের রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যগ করবেন, এত পরীক্ষার হলে অশ্বস্তি,অশান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ যে কোন  অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। প্রতি পরিক্ষার  আগের রাতে পড়া শুরু করার আগে অব্যশই পরবর্তী বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হবেন। পরীক্ষাকালে পড়ার সময় হাতে একটি কলম এবং রাফ কাগজ সমনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো মুখস্থ লিখবেন। পরীক্ষার  হলে অবশ্যই শতভাগগ কালো কালির কলম ব্যবহার করবেন, লাল কালির  কলম ব্যবহ...

কোরবানির গোশত ভাগ করার নিয়ম।


কোরআন ও হাদিসের আলোকে কোরবানির গোশত ভাগ করার একটি নির্দিষ্ট ও সুন্নাতপন্থী পদ্ধতি রয়েছে। ইসলামিক শরিয়তের দৃষ্টিতে কোরবানির গোশত তিন ভাগে ভাগ করা মুস্তাহাব (সুন্নাত ও উত্তম) পদ্ধতি:


🟩 ১. নিজের জন্য – এক-তৃতীয়াংশ (১/৩)


এ অংশ নিজে ও নিজের পরিবারের সদস্যদের জন্য রাখা যায়।


🟩 ২. আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবকে দেওয়া – এক-তৃতীয়াংশ (১/৩)


এ অংশ আত্মীয়, বন্ধু ও পাড়া-প্রতিবেশীদের উপহার হিসেবে দেওয়া সুন্নাত।


🟩 ৩. গরিব ও মিসকিনদের দেওয়া – এক-তৃতীয়াংশ (১/৩)


এ অংশ দরিদ্র ও অভাবী মানুষদের মধ্যে বিতরণ করতে হয়। 

📚 দলিলসমূহ

🔹 কোরআন:


> فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْبَائِسَ الْفَقِيرَ


"তোমরা কোরবানির পশুর গোশত থেকে খাও এবং অভাবগ্রস্ত দরিদ্রকে খাওয়াও।"

— (সুরা হজ্জ: ২৮)




এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, নিজের খাওয়াও বৈধ এবং গরিবদের খাওয়ানোও জরুরি।



---


🔹 হাদিস:


✅ হজরত সালমান ফারসি (রাঃ) থেকে বর্ণিত:


> "রসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: কোরবানির গোশতের এক-তৃতীয়াংশ তুমি নিজে খাও, এক-তৃতীয়াংশ আত্মীয়স্বজনকে দাও এবং এক-তৃতীয়াংশ গরিবদের দান কর।"

— (মুস্তাদরাক হাকিম, হাদিস:

❗ কিছু অতিরিক্ত বিধান:


সম্পূর্ণ গোশত নিজে খাওয়াও জায়েজ, তবে এটি মাকরুহে তানযিহি (উচিত নয়)। উত্তম হচ্ছে তিন ভাগ করা।


সম্পূর্ণ গরিবদের দিয়ে দিলেও জায়েজ আছে, কিন্তু সুন্নাহ হলো – উপরের তিন ভাগে ভাগ করা।


কোরবানির গোশত বিক্রি করা হারাম। জবাইকারী বা কসাইকে পারিশ্রমিক হিসেবে গোশত দেওয়া জায়েজ নয়। তাকে আলাদাভাবে টাকা-পয়সা দিয়ে পরিশ্রমের পারিশ্রমিক দিতে হবে।

Comments