Skip to main content

Featured

পরীক্ষাকালীন সময় এবং পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের পালনীয় বিষয় সমূহ

 পরীক্ষাকালীন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নাময যথাসময়ে আদায় করবেন এবং সকল গুণাহ থেকে বেঁচে থাকবেন। ফরয-ওয়াজিব গুলো মেনে চলার পাশাপাশি কিছু কিছু দান সদকা এবং নফল ইবাদত করার চেষ্টা করবেন। পরীক্ষাকালীন সময়ে গোসল,ঘুম এবং নাস্তা পরিমিত ও যথাসময়ে গ্রহণ  করবেন।  যেকোন দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলার সুবধার্থে পরীক্ষাকালিন সময়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা,গাড়িতে উঠা-নামা, বাথরুমে যাওয়া, সাইকেল চালানো এবং খেলাধুলা অত্যন্ত সতর্কতার সহিত করবেন। যেকোন Accident এড়িয়ে চলার সুবিধার্থে পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগ থেকে খেলাধুলা কমিয়ে দিবেন। কারণ খেলাধুলার সময় যেকোন দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে। পরীক্ষার আগের রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যগ করবেন, এত পরীক্ষার হলে অশ্বস্তি,অশান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ যে কোন  অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। প্রতি পরিক্ষার  আগের রাতে পড়া শুরু করার আগে অব্যশই পরবর্তী বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হবেন। পরীক্ষাকালে পড়ার সময় হাতে একটি কলম এবং রাফ কাগজ সমনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো মুখস্থ লিখবেন। পরীক্ষার  হলে অবশ্যই শতভাগগ কালো কালির কলম ব্যবহার করবেন, লাল কালির  কলম ব্যবহ...

 

আনিস বোকা ধরনের মানুষ। সে বিয়ে করেছে বেশ কয়েক বছর হলো। কিন্ত আজ ও শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হলো না তার। একদিন তার ঘাড়ে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার ভুত চাপলো। যদি মরে যায়,তবে শ্বশুরবাড়ি যাওয়া আর হবে না।

আনিস বোকা ধরনের মানুষ। সে বিয়ে করেছে বেশ কয়েক বছর হলো। কিন্ত আজ ও শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হলো না তার। একদিন তার ঘাড়ে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার ভুত চাপলো। যদি মরে যায়,তবে শ্বশুরবাড়ি যাওয়া আর হবে না।

সোজা শ্বশুর বাড়ি

যে কথা সে কাজ,আনিস শ্বশুর বাড়ির পথ চেনে না, তাই মায়ের কাছে পথ নির্দেশ নিতে গেল।

মা: মা হাত ইশারায় বললেন, এইভাবে সোজা যাও ….।

আনিস: মায়ের দেখানো সোজা পথে যাত্রা শুরু করল। ও পথ চলছে একদম সোজা, এক চুলও এদিক ওদিক ঘুরছে না। যদি শ্বশুর বাড়ির পথ হারিয়ে যায়?

অনেক দূর যাবার পর পথ অন্য দিকে ঘুরে গেছে। তবে তাকে তো ঘুরলে চলবে না। তাই ও সোজা নিশানা বজায় রেখে পথ তেকে নেমে পড়ল। কিছুদুর গিয়ে সামনে একটা দীঘি পড়ল। কেমনে এবার সোজা যাবে আনিস? দীঘি ঘুরে ওপাশ দিয়ে ‍গেলে তো পথ হারিয়ে যাবে।না, সোজাই যাবেসে।সে দীঘিতে নেমে সাঁতরিয়ে সোজা ওপারে উঠলো। একটু জিরিয়ে গায়ের পানিগুলো শুকিয়ে নিল। আবার সোজা চলা শুরু করল, আনিসের সামনে পড়ল একটি গরুর পাল। একটু ঘুরে গেলে হয়, কিন্ত মা যে বলেছেন, এইভাবে সোজা যাও..। সে গরুর পালের মধ্যে প্রবেশ করে যথাসম্ভব গরুদের সরিয়ে সোজা যেতে চেষ্টা করল। কিন্ত বদমেজাজী গরু আনিসের এ বাদশাহী পছন্দ করল না গরুটা তেড়ে এসে তাকে বেশ করে গুতিয়ে দিল।

একপাশে পড়ে আনিস ভাবল-সোজা যাওয়া খুব কষ্টের ব্যাপার! তবে এতদূর যখন এসেছি,তখন যে করেই হোক সে শ্বশুরবাড়ি যাবেই। নিরাশ না হয়ে সে আবার সোজা চলা শুরু করল।

মাঠ ছাড়িয়ে সে এক বনে এসে পড়ল। আনিসের সোজা নিশানার সামনে পড়ল মস্ত বড় এক তাল গাছ। এখন তো মহাবিপদ! তাল গাছকে ডিঙ্গিয়ে কিভাবে যাবে সে। আবার গাছ ঘুরে গেলে তো পথ হারিযে যাবে, শ্বশুরবাড়ি যাওয়া হবে না।সোজা পথ চলায় এত বাধা। না! আজ তাকে শ্বশুরবাড়ি যেতেই হবে। সে দেখে শুনে সোজা গাছ বেয়ে উপরে ওঠা শুরু করল। উপরে উঠে আবার অপর পাশ দিয়ে নামলে,সোজা পথ বজায় থাকবে তার।

কিন্ত গাছের মাথায় উঠে সেএক গ্যাঁড়াকলে পড়ল। অপর পাশ দিয়ে পাতা ধরে নামতে গিয়ে তার দুই পা গাছ থেকে ফসকে গেলো। হাতে ধরা থাকলো গাছের পাতা। পাতার ডগা খুব লম্বা হওয়ায় আনিস পা দিয়ে কোনোমতেই গাছের নাগাল পেলো না। এখন উপায়? এত উঁচু থেকে পড়লে তো নির্ঘাত শ্বশুরবাড়ি বউসুদ্ধ হারাতে হবে। তাছাড়া এভাবে ঝুলে থাকাও বা কতক্ষণ যায়, সে পড়ল মহাবিপাকে। তবে কি আনিসের শেষ পর্যন্ত শ্বশুর যাওয়া-ই হবে না। সহসা সে কিছু দূরে চেয়ে দেখে, এক গজল গেয়ে হাতির পিঠে চড়ে যাচ্ছে। আনিস তার উদ্দেশ্যে সজোরে চিৎকার শুরু করল অবাক কান্ড দেখে গায়ক গাছের কাছে এলো।

হাতি ওয়ালা :- সে আনিসের ঝুলে থাকা বরাবর নিচে হাতিটা দাড় করালো তাকে নামানোর জন্য। যেই সে আঙ্গুলের ভর দিয়ে উঁচু হয়ে আনিসের পা দুটো ধরল, ঠিক সেই মুহুর্তে এক আজব ঘটনা ঘটে গেল। আঙ্গুলের চাপে পিঠে ব্যথা পেয়ে হাতি দিল দৌড় । আর গায়ক অগত্যা আনিসের পা ধরে ঝুলে রইল ফলে আনিসের বিপদ বেড়ে গেল। সে ভাবছে – ছিলাম একা, তাকে ডেকে বিপদ ডবল হলো। গায়ক চিন্তা করছে, এক বাঁচাতে কেন মরতে এলম?

দু’জনের ভার আনিস আর কতক্ষণ রাখতে পারে?দারুণ দৃশ্য, গায়ক ঝুলে আছে আনিসের দু’পা ধরে আর আনিস ঝুলে আছে তালপাতা ধরে। ছেড়ে দিলেই দু’জনের শ্বশুর বাড়িসহ সবই হারাতে হবে।

আনিস :- হাঠাৎ আনিস বলল- গায়ক ভাই গজল শুরু কর, দেখ কেউ আসে কিনা। বুদ্ধিটা মন্দ নয়।

হাতি ওয়ালা:- গায়ক সুরেলা কন্ঠে গজল টান দিল। সুরের মুর্ছনায় পরিবেশ বিমোহিত হয়ে গেল।

আনিস :- সে ভুলে গেলে যে, তারা গাছের ঝুলে আছে। আনিসের মনে নাই যে, সে পাতা ধরে ঝুলে আছে এবং তার পায়ে ঝুলে আছে আরেক জন। মন্ত্রমুগ্ধে মত বলে উঠল- তোমার গালায় এত সুন্দর ‍সুর!সেই পথে আবেগের আতিশয্যে সাবাস বলে জোরে হাত তালি দিল আনিস। এরপর কী হলো? এক জোড়া তার পড়ল! মানে গাছ থেকে ওরা দু’জন ধপাশ….! আর শ্বশুর বাড় যাওয়া হলো না।

শিক্ষা: সোজা চলা বলতে মানে এই না যে ,সোজাই যেতে হবে।

অবস্থা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া । এত বোকা হলে কি বিয়ে করা সাজে?

Comments

Popular Posts