Featured

পরীক্ষাকালীন সময় এবং পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের পালনীয় বিষয় সমূহ

  •  পরীক্ষাকালীন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নাময যথাসময়ে আদায় করবেন এবং সকল গুণাহ থেকে বেঁচে থাকবেন।
  • ফরয-ওয়াজিব গুলো মেনে চলার পাশাপাশি কিছু কিছু দান সদকা এবং নফল ইবাদত করার চেষ্টা করবেন।
  • পরীক্ষাকালীন সময়ে গোসল,ঘুম এবং নাস্তা পরিমিত ও যথাসময়ে গ্রহণ  করবেন। 
  • যেকোন দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলার সুবধার্থে পরীক্ষাকালিন সময়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা,গাড়িতে উঠা-নামা, বাথরুমে যাওয়া, সাইকেল চালানো এবং খেলাধুলা অত্যন্ত সতর্কতার সহিত করবেন।
  • যেকোন Accident এড়িয়ে চলার সুবিধার্থে পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগ থেকে খেলাধুলা কমিয়ে দিবেন। কারণ খেলাধুলার সময় যেকোন দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে।
  • পরীক্ষার আগের রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যগ করবেন, এত পরীক্ষার হলে অশ্বস্তি,অশান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ যে কোন  অসুস্থতা দেখা দিতে পারে।
  • প্রতি পরিক্ষার  আগের রাতে পড়া শুরু করার আগে অব্যশই পরবর্তী বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হবেন।
  • পরীক্ষাকালে পড়ার সময় হাতে একটি কলম এবং রাফ কাগজ সমনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো মুখস্থ লিখবেন।
  • পরীক্ষার  হলে অবশ্যই শতভাগগ কালো কালির কলম ব্যবহার করবেন, লাল কালির  কলম ব্যবহার দোষনীয়।
  • পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বহন করা সম্পূণ্য বেআইনী।
  • পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসম্বলিত পৃষ্ঠাগুলো  নিদর্শন দিয়ে রাখবেন  এবং বেশীবেশী অনুশীলন করবেন।
  • পরীক্ষার ১০ দিন আগে িএকটি ফাইল,একটি স্কেল ক্রয় এবং অন্তত  দশটি কলম চালু করে রাখবেন।
  • পরীক্ষাকালীন সময়ের আগে-পরে কোন কাজ তাড়াহুড়া করবেন না।
  • পরীক্ষার হলে অশালীন,অভদ্র এবং অরুচিকর কোন পোশাক পরিধান  করে আসবেন না। এতে আপনার ব্যাপারে কক্ষ পরিদর্শকের মন্দ ধারণার সৃষ্টি হবে।
  • প্রবেশপত্র  এবং রেজিস্ট্রেশন কার্ড হাতে পৌঁছার সাথে সাথেই দুই সেট ফটোকপি বাসার নিরাপদ জায়গায় রাখবেন।(সম্ভব হলে একসেট কালার ফটোকপি করে রাখবেন)
  • একাধিক চালু কলম, প্রবেশপত্র,রেজিস্ট্রেশন কার্ড,স্কেল,স্টেফলার,পিন, কালার প্যান, ক্যালকুলেটার,হাত ঘড়ি, পানির বোতল  এবং একটি মিনি টিস্যুর প্যাকেট ঠান্ডা মাথায় ব্যাগে ঢুকিয়ে নিবেন।
  • পরিক্ষার হলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হবার পূর্বে ফাইলটা আরো ভালো করে চেক করে নিন।
  • পরীক্ষার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হবার আগে আব্ব-আম্মা এবং মুরুব্বীদেরকে সালাম করে বের হবেন।
  • ওযু করে হলে প্রবেশ এবংবাসা থেকে  বের হবার পূর্বে দুই রাকাত নামাজ পড়ার বিষয়ে ভুল করবেন না।
  • প্রথম দিন একঘণ্টা আগে এবং বাকী দিনগুলোতে অন্তত ৩০ মিনিট পূর্বে কেন্দ্রে উপস্থিত হবেন।
  • তিন ঘণ্টার আগে যেন হল থেকে বের হওয়া না লাগে সে  প্রস্ততি নিয়ে হলে প্রবেশ করুন।
  • সম্ভব হরে  কানের গোড়ায় কলম রাখার বিষয়ে ধর্মীয় দিকগুলো আমল করবেন।
  • পরীক্ষা শুরুর আগে হলে চুপচাপ-ঠান্ডা মাথা বসে থাকবেন। (ভিবিন্ন দুরুদ ‍,দুআ পাড়ার বিষয়ে ভুল করবেন না।
  • উত্তর পত্রের চার পাশে কমপক্ষে হাফ ইঞ্চি এবং এক ইঞ্চি পরিমাণ জায়গা রেখে মার্জিন করবেন।
  • নাম,রোলনং,রেজিস্ট্রেশন নং,বিষয় কোড ইত্যাদি তথ্যগুলো ঠান্ডা মাথায়, সতর্কতার সাথে পূরণ করবেন।
  • তথ্যগত কোন ভুল হলে নির্ভয়ে কক্ষ পরিদর্শককে অবহিত করুন।
  • ” এখান থেকে লেখা শুরু করতে হবে এই নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
  • প্রশ্ন হাতে পাওয়ার সাথে সাথে বিসমিল্লা পড়ে পুরো প্রশ্নের উপর একবার নজর বুলাবেন।
  • প্রশ্নপত্রে কোন প্রকার লেখালেখি,টিক অথবা দাগ দেয়া নিষেধ। বিশেষকরে বহুনির্বাচনীর উত্তরপত্রে।
  • আপনার সবচেয়ে ভালো মুখস্থ আছে এমন প্রশ্নটির উত্তর দিয়ে প্রথমে  লেখা শুরু করবেন।
  • প্রশ্নের ধারবাহিকতা রক্ষা এবং সংযুক্ত ছোট প্রশ্নগুলো একত্রে লিখতে চেষ্টা করবেন।
  • অস্পষ্ট প্রশ্নগুলো বুঝার ক্ষেত্রে নির্ভয়ে কক্ষ পরিদর্শকের সহযোগিতা নিবেন।
  • অনেক বেশী ছোট অথবা অনেক বেশী বড় অক্ষরের লেখা দোষনীয়। মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন।
  • কোন প্রশ্ন ভুলে গেলে মনে মনে দুরুদ পাঠ করে আর স্মরণ করার চেষ্টা করুন।
  • পরীক্ষায় ১০০% উত্তর  প্রদানের ব্যাপারে সজাগ থাকুন,কিছুতেই নাম্বার ছেড়ে আসবে না।
  • কোন প্রশ্নের উত্তর না পারলে ধারণা করে একটু লিখে দিন। এতে করে পরিক্ষক নাম্বর দেওয়ার সুযোগ  পাবে। 
  • তবে মন গড়া, অর্থক গল্প-কাহিনী লেখা  থেকে বিরত থাকবেন। এতে পরিক্ষক  মারাত্মক  ভাবে ক্ষুব্ধ হন।
  • পরীক্ষার্থীদের অন্যায়  সহযোগিতা থেকে  বিরত থাকুুন।
  • হল পরিদর্শক অথবা পাশের শিক্ষার্থীকে ডির্স্টাব করবেন না ,  এতে আপনার ব্যাপারে তাদের মনে  খারাপ ধারণা হবে।
  • স্বাক্ষারবিহীন কোনো অতিরিক্ত  উত্তর পত্রে লিখবেন না।
  • কভার পেজ ভাঁজ করা,উত্তরপত্রে অনর্থক কিছু লেখালেখি থেকে বিরত  থাকবেন।
  • সকল  ভুল  একটানে কেটে দিতে হবে,অধিক  কাটাকাটি বর্জন  করবেন।
  • একটি প্রশ্ন শেষ হওয়ার পর অন্তত দুইলাইন জাগা পরিমাণ খালি রেখে পরবর্তী লেখা শুরু করবেন।
  • তবে পৃষ্ঠার অর্ধেক পরিমাণ  এসে কোন প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ হলে উক্ত পৃষ্ঠায় আর কোন নতুন কোন প্রশ্ন শুরু না করে পরবর্তী পৃষ্ঠা থেকে শুরু করবেন।
  • কিছুতেই এক পৃষ্ঠায় প্রশ্ন নং অথবা পয়েন্ট লিখে পরবর্তী পৃষ্ঠা থেকে লেখা শুরু  করবেন না।
  • পয়েন্ট আকারে লেখাগুলো পাশাপাশি না লিখে উপর-নিচ করে লিখবেন।এতে আপনার লেখার পরিমাণ বাড়বে এবং লেখার সৌন্দর্য ‍বৃদ্ধি পাবে।
  • খাতা জমা দেয়ার আগে ১০০% উত্তর হয়েছে কিনা তাহা নিশ্চিত হবেন।
  • পূর্ণ সময় হলে থাকতে অভ্যাস করুন।
  • ১৫ মিনিট বাকি থাকতেই কাগজ রিভিশন শুরু করবেন।লুজ পেপার গুলোর সিরিয়াল বারবার নিশ্চিত হবেন।
  • লুজ পেপারগুলোর ক্রমিক নং লিখা এবং বৃত্ত ভরাটের বিষয় খেয়াল রাখবেন।
  •  মাঝখানে ভুল কোর পৃষ্ঠা খালি থাকলে দুই টেনে কেটে দিবেন।
  • সকল পয়েন্টগুলো রঙ্গিন কালির কলম  দিয়ে কালার  করে দিতে  চেষ্টা  করবেন।(লাল কালির কলম দিয়ে নয়)
  • বাসায়  এসে প্রশ্নের উত্তর মিলানো থেকে বিরত থাকবেন, এতে অযথা মন খারাপ হবে।
  • সকল পরীক্ষা শেষে অবসর সময়টা ব্যক্তিগত মানোন্নয়নে কাজে লাগাবেন এবং আল্লাহর দরবারে দুআ করবেন।

Comments

Popular Posts