Skip to main content

Featured

পরীক্ষাকালীন সময় এবং পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের পালনীয় বিষয় সমূহ

 পরীক্ষাকালীন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নাময যথাসময়ে আদায় করবেন এবং সকল গুণাহ থেকে বেঁচে থাকবেন। ফরয-ওয়াজিব গুলো মেনে চলার পাশাপাশি কিছু কিছু দান সদকা এবং নফল ইবাদত করার চেষ্টা করবেন। পরীক্ষাকালীন সময়ে গোসল,ঘুম এবং নাস্তা পরিমিত ও যথাসময়ে গ্রহণ  করবেন।  যেকোন দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলার সুবধার্থে পরীক্ষাকালিন সময়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা,গাড়িতে উঠা-নামা, বাথরুমে যাওয়া, সাইকেল চালানো এবং খেলাধুলা অত্যন্ত সতর্কতার সহিত করবেন। যেকোন Accident এড়িয়ে চলার সুবিধার্থে পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগ থেকে খেলাধুলা কমিয়ে দিবেন। কারণ খেলাধুলার সময় যেকোন দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে। পরীক্ষার আগের রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যগ করবেন, এত পরীক্ষার হলে অশ্বস্তি,অশান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ যে কোন  অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। প্রতি পরিক্ষার  আগের রাতে পড়া শুরু করার আগে অব্যশই পরবর্তী বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হবেন। পরীক্ষাকালে পড়ার সময় হাতে একটি কলম এবং রাফ কাগজ সমনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো মুখস্থ লিখবেন। পরীক্ষার  হলে অবশ্যই শতভাগগ কালো কালির কলম ব্যবহার করবেন, লাল কালির  কলম ব্যবহ...

যাকে বলে বোকা



জনৈক বোকা লোক গাছের আগার দিকে বসে গোড়ার দিকে কোপাতে লাগলো। লোকটির বিপদজ্জনক জাক  দেখে এক মুরব্বী রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় চিৎকার করে বলতে লাগলেন-এই! তুই মরেছিস!তুই মরেছিস! 

এই চিৎকার শুনে  লোকটি গাছ থেকে নেমে এলো। মুরব্বির কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, হুজুর!আমি  কে সত্যি মরে গেছি?মুরব্বী ভাবলেন  এই লোকটিকে তো বুঝানো সম্ভব না।সুতরাং তিনি লোকটির কথার কোনো জবাব না দিয়েই চলে গেলেন।

লোকটি ভাবলো, মরা মানুষের সঙ্গে কতা বলা যায় না,  সম্ভবত এই জন্য মুরব্বী আমার কতার জবাব না দিয়েই সরে পড়েছেন। সুতরাং নিঃসন্দেহে আমি মরে গেছি।

কিন্ত তার কথার কেউ সাড়া  দিল না।অগত্যা সে নিজেই একটি কোদাল সংগ্রহ করলো এবং নদীর ধারে গিয়ে করব খুঁড়তে লাগলো। কবর খোঁড়া শেষ হলে কোদাল টি রেখে কবরের ভিতরে মরার মতো পড়ে থাকলো। ঐ নদী দিয়ে লঞ্চ যাতায়াত করতো। একটি লঞ্চ এস  এক সাহেবকে নদীর ঘাটে নামিয়ে দিলো। সহেব সকারি  চাকরি নিয়ে ওই গ্রামে এসেছিলেন। কী একটা  কাজরে তদারকি করতে।তিনি  ডাক বাংলায় যাবেন। সঙ্গে রয়েছে বিছানাপত্র ও িএকটি বাক্স। কিন্ত কে বয়ে নিয়ে যাবে।  এগুলো? আশেপাশে   কোনো লোকজনও দেখা যায় না। অবশেষে দূরে চোখে পড়লো  একটি কোদাল। সদ্য মাটি কাটা হয়েছে, কোদালটি এখনও  সরানো হয়নি। ভাবলেন-মাটি কাটা লোকটি আশেপাশে নিশ্চয় কোথাও আছে।

কোদার লক্ষ্য করে সাহেব অগ্রসর হলেন। দেখেন-সেখানে একটি গর্তের মধ্যে  একটি লোক শুয়ে আছে। সাহেব তাকে ডাকলেন, এদিকে এসো!লোকটি  ভাবলো,আমি  যে  মরে  গেছি হয়তোএই ভদ্রলোক জানেন না। তাই  আমার সাথে কথা  বলতে এসেছেন।সুতরাং লোকটি কোনো সাড়া দিল  না। পিঠ টান করে চুপ  করে শুয়ে  থাকতে  লাগলো।

ভদ্রলোক  কয়েবার ডাকলেন।  কিন্ত কোনো সাড়া না পেয়ে বিরক্ত  হয়ে  কাছে গিয়ে তার কোমরে একটা  জোরে লাথি মারলো যে ,লোকটি তড়িৎ করে উঠে বসে পড়লো । লোকটি  মনে  মনে  ভাবলো,কবরের মনকার-নাকির হবে।এর কথা অমান্য করা  যাবে না। যা বলবে তাই শুনতে হবে। সাহেব যখন বলেলন আমার সঙ্গে এসো। লোকটি তার সঙ্গে সঙ্গে নদীর ঘাটে গিয়ে  দাঁড়ালো। সাহেব ওর মাথায়  বাক্স ও  বিছানা পত্র এর পোটলাটি চাপালেন। এবং  একটি  মিষ্টির হাঁড়ি  ছিল সেটাও হাতে দিয়ে বললেন চলো্ 

এই  বলে সাহবে ওকে নিয়ে ডাক বাংলোয়  পৌঁছালেন। ওর মাথা থেকে জিনিসপত্র নামিয়ে নিয়ে ওকে আট আনা  পয়সা দিলেন। আর মিষ্টির হাঁড়ি থেকে ‍দুইটি রসগেল্লা হাতে দিয়ে বললেন,যাও।

লোকটি দৌড়ে এসে পাড়াই প্রচার করতে লাগলো, কবরে কি ঘটে আমি দেখে এসেছি। যা ঘটে তা হলো, একজন মনকির-নাকির বুট জুতা পায়ে এসে এমন জোরে কোমরে এক  লাথি মারে যে,  মৃত ব্যক্তি শোয়া থেকে উঠে বসে পড়ে। তার পর সাথে কিছুদূর গিয়ে সেখান থেকে বাড়িতে নিয়ে যায় মাথায় একটা বোঝা দিয়ে। তারপর বোঝার নামানোর পর বিদায় করে দেওয়া  হয়। আর দেওয়া হয়  দুইটি রসগোল্লা।

শিক্ষা:- আজকাল অনেক বুদ্ধিজীবী  আছেন যারা এই বোকার  মতো ঘটনা পর্যবেক্ষণের দাবি করে। এবং  আলেমগণের উক্তিকে হালকা ভাবে নিয়ে বিচার করে থাকেন। এরপরও কি  তাদের বুদ্ধিজীবী বলা যায়?

আরো পড়ুন--

Comments

Popular Posts