Skip to main content

Featured

পরীক্ষাকালীন সময় এবং পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের পালনীয় বিষয় সমূহ

 পরীক্ষাকালীন সময়ে পাঁচ ওয়াক্ত নাময যথাসময়ে আদায় করবেন এবং সকল গুণাহ থেকে বেঁচে থাকবেন। ফরয-ওয়াজিব গুলো মেনে চলার পাশাপাশি কিছু কিছু দান সদকা এবং নফল ইবাদত করার চেষ্টা করবেন। পরীক্ষাকালীন সময়ে গোসল,ঘুম এবং নাস্তা পরিমিত ও যথাসময়ে গ্রহণ  করবেন।  যেকোন দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলার সুবধার্থে পরীক্ষাকালিন সময়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামা,গাড়িতে উঠা-নামা, বাথরুমে যাওয়া, সাইকেল চালানো এবং খেলাধুলা অত্যন্ত সতর্কতার সহিত করবেন। যেকোন Accident এড়িয়ে চলার সুবিধার্থে পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক সপ্তাহ আগ থেকে খেলাধুলা কমিয়ে দিবেন। কারণ খেলাধুলার সময় যেকোন দুর্ঘটনা দেখা দিতে পারে। পরীক্ষার আগের রাতে দীর্ঘ সময় জেগে থাকার অভ্যাস পরিত্যগ করবেন, এত পরীক্ষার হলে অশ্বস্তি,অশান্তি এবং মাথা ব্যথাসহ যে কোন  অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। প্রতি পরিক্ষার  আগের রাতে পড়া শুরু করার আগে অব্যশই পরবর্তী বিষয় রুটিন দেখে নিশ্চিত হবেন। পরীক্ষাকালে পড়ার সময় হাতে একটি কলম এবং রাফ কাগজ সমনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো মুখস্থ লিখবেন। পরীক্ষার  হলে অবশ্যই শতভাগগ কালো কালির কলম ব্যবহার করবেন, লাল কালির  কলম ব্যবহ...

কুকুর নাকি বকরি

 



জনৈক  ব্যক্তি  একটি বকরী পালতো। সেটির প্রতির ছিল তার অগাধ ভালবাসা। সে ছিল অত্যন্ত সহজ সরল,মন্র,ভদ্র। অভাবের তাড়নায় একদিন সে বকরীটি বিক্রি করার জন্য হাটের ‍ দিকে রওনা দিল। এদিকে একই গ্রামে বাস করতো তিন ধোকা বাজ। তারা যখন ভদ্রলোকটির বকরী বিক্রির কথা শুনতে পেল,তখন উপস্থিত পরামর্শের  মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তে উপনীত হলো যে, আমরা যে করেই হোক বকরীটি চাই। এরই মধ্যে তারা নিজ নিজ দলবলসহ স্ব স্ব স্থানে উপস্থিত হয়ে গেল।

ভদ্র লোকটি অতি আদরের বকরীটি রশি টেনে এগিয়ে চলছে হাটের দিকে। কিছুদুর না যেতেই দেখা এক ধোকাবাজের সাথে। ইতোমধ্যে তাদের মাঝে সালাম-কালাম ও পরিচয়পর্ব শেষ হল। এরপর ধোকাবাজটি বলল-চাচা! কোথায় যাচ্ছেন? 

লোকটি বলল:- বাবা অভাবের কারণে বকরীটি বিক্রি করার জন্য হাটে যাচ্ছি। 

ধোকাবাজ:- কি বললেন, বকরী? কই আপনার হাতে তো দেখছি কুকুর। একথা বলেই সে খুব মজা করে হাসতে শুরু করল। 

এতে ভদ্রলোকটি ভীষণ অবাক হলো। কি বললে? আমি নিয়ে যাচ্ছি বকরী, আর তুমি বলছ এটা কুকুর?

এরপর সে একটু সামনে এগুতেই দেখা হরো আরেক ধোকাবাজের সাথে। তার সাথে ও তেমনই  কথোপকথন হলো এবং সেও ওটাকে কুকুর বলে অট্রহাসি হাসল।

আবার ভদ্র লোকটি দুরুদুরু মনে হাঁটিহাটিঁ পা পা করে সামনে এগুতে দেখা হল ধোকাবাজ সরদারের সাথে। আগের দুজনের মতো তার সাথেও কতাবার্তা হলো। কিন্ত ভদ্রলোকটি তার বকরী বিক্রির  কথা বলতেই লোকটি হাসতে হাসতে মাটিতে লুটে পড়ল। এবং তার দলবল সকলে তার হাসির সঙ্গী হলো। হাসির এক পর্যায়ে সে বলল-আপনি কুুকুর নিয়ে যাচ্ছেন,আর বলছেন কিনা বকরী?

ভদ্র লোকটি পর পর তিনজনের মুখে নিজ পোষ্য বকরীটা কুকুর হওয়ার কতা শুনে দিশেহারা হয়ে ভাবতে লাগলেন-তাহলে কি আমি ঠিকই কুুকুর নিয়ে বাজারে যাচ্ছি? হযতো তাই । নইলে এতগুলোক লোক কি মিথ্যে বলবে? এ কথা বলে লোকটি বড় আদরের বকরীটি ছেড়ে দিয়ে নিজেকে বোকা মনে করে বিষন্ন মনে বাড়ির দিকে হাটতে শুরু করল। তখন তিন ধোকাবাজ মিলে বকরিটি ধরে জবাই করল এবং সুস্বাদু খানা তেরি করে তৃপ্তিকরে খেল।

 শিক্ষ:- হাজার মানুষ বললেও দিন কাখনো রাত হয় না। তাই উপযুক্ত যাচাই ছাড়া শুধু মানুষের কথায় কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

আরো জানুন:-

Comments

Popular Posts